• ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cold

কলকাতা

বিদায় নিতে নারাজ শীত! আরও চার দিন ঠান্ডার সতর্কতা

কলকাতায় টানা দুদিন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে নেমে এসেছে। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আরও প্রায় চার দিন শীতের আমেজ বজায় থাকবে।এর আগে শেষবার ২০২৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তার পর আবার এই মরশুমের ফেব্রুয়ারিতে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে নামল। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রার খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ বেড়েছে। ঠান্ডা হাওয়ার কারণে শহরের দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রিরও বেশি কম। রবিবার শহরের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৪ ডিগ্রি। আকাশ পরিষ্কার রয়েছে। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। তবে সেই বৃদ্ধি দুই থেকে তিন ডিগ্রির বেশি হবে না।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী তিন থেকে চার দিন কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ-সহ নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

কাঁপুনি ধরানো শীতের থাবা! কলকাতা থেকে জেলা—জমাট ঠান্ডায় নাজেহাল বাংলা

নিজস্ব সংবাদদাতা: পৌষ মাসের শেষ লগ্নে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছে গোটা বাংলা। উত্তুরে হাওয়ার দাপটে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলাসর্বত্রই কনকনে ঠান্ডায় নাজেহাল সাধারণ মানুষ। ভোর ও রাতের দিকে ঠান্ডার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শ্রীনিকেতনে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত এই নিম্নমুখী তাপমাত্রার ধারা বজায় থাকবে।শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা কম। তবে শহরের চেয়ে জেলার অবস্থা আরও কঠিন। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট বেশি। শ্রীনিকেতনের পাশাপাশি বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ পতন অব্যাহত, সেখানে উত্তরবঙ্গে শীতের সঙ্গে জুটেছে ঘন কুয়াশা। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বেলা বাড়লেও কুয়াশা কাটছে না। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রশাসনের তরফে গাড়িচালক ও পর্যটকদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন আবহাওয়ার এই অবস্থার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আরও কয়েকদিন জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করতে পারবেন শীতপ্রেমী বাঙালিরা। যদিও দিনের বেলায় আকাশ পরিষ্কার থাকলে রোদ উঠলে ঠান্ডার অনুভূতি কিছুটা কমতে পারে। তবে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই ফের কনকনে ঠান্ডা ও উত্তুরে হাওয়ার দাপট বাড়বে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী চার-পাঁচ দিন কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

জানুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি এবার বিদায় নিতে ভুলে গেল? কলকাতায় ফের ধস নামাল পারদ

শীতের বিদায় এখনও দূরে। ঘুমপ্রিয় মানুষদের যেন আরও কিছুদিন বাড়তি সময় দিল শীত। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে উত্তুরে হাওয়া। ভোর পেরিয়ে সকাল ছয়টা বাজলেও আলো ঠিকমতো ফুটল না। শীতের আমেজে আঁধার যেন ঘুম ভাঙাতে চায় না। বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না বহু জায়গায়। এই আবহেই কলকাতায় আরও আড়াই ডিগ্রি কমল তাপমাত্রা।সোমবার আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঝঞ্ঝা বিদায় নিচ্ছে, ফলে আগামী কয়েক দিনে ঠান্ডা আরও বাড়বে। শহরজুড়ে কাঁপুনি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের দাপট আরও বেশি হবে। সেখানে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতের এই দফা বেশ কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলেই ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের।উল্লেখ্য, বর্ষশেষের ভোরে কলকাতায় পারদ নেমেছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নতুন বছরের শুরুতে অবশ্য তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছিল। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে প্রায় তিন ডিগ্রি বেড়ে রবিবার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ১৪ ডিগ্রিতে। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না। ফের ঠান্ডার গ্রাফ নামতে শুরু করেছে। খুব বড় পরিবর্তন না হলেও আগামী দিনে তাপমাত্রা অন্তত তিন থেকে চার ডিগ্রি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।সোমবার দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর, কল্যাণী ও শ্রীনিকেতনে পারদ ঘোরাফেরা করেছে ৯ ডিগ্রির আশেপাশে। বাঁকুড়া ও ব্যারাকপুরেও শীতের দাপট স্পষ্ট। বর্ধমান ও আসানসোলে তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি। দমদম ও মালদহে পারদ নেমেছে ১১.২ ডিগ্রিতে। কলকাতার আলিপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় এক ধাক্কায় নামল পারদ! ডিসেম্বরে ফের ‘কোল্ডেস্ট ডে’, কাঁপছে শহর

ডিসেম্বরের শেষে কলকাতা যেন সত্যিই পেল স্যান্টার উপহার। একবার নয়, বারবার কোল্ডেস্ট ডে-র নজির গড়ল শহর। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই অনেকটা নেমে গেল তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মাপকাঠিতে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বড়দিনের দিন থেকেই যার আভাস মিলছিল, এ দিন তা পুরোপুরি টের পেল শহরবাসী। শুধু কলকাতাই নয়, গোটা রাজ্যের নানা জায়গায় বইছে কনকনে উত্তুরে হাওয়া। শীতের দাপটে সকাল-সন্ধে কার্যত জমে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারও সারা দিন জুড়েই থাকবে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা। তবে এখন যে হিমেল উত্তুরে হাওয়া বইছে, তার গতি ধীরে ধীরে কমতে পারে। নতুন বছরের শুরুতেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব বাড়ছে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা। এর জেরে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমলে তাপমাত্রা আরও নামার গতি কিছুটা থামতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।শহর থেকে জেলা, বেলা বাড়লেও কুয়াশার চাদর সরছে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্তত ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত কুয়াশা কাটার কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যের বিভিন্ন অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ২০০ থেকে ৯৯৯ মিটারের মধ্যে। এর ফলে সকালের দিকে রাস্তাঘাটে চলাচলে সমস্যা বাড়তে পারে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।দক্ষিণবঙ্গে যখন শীত জাঁকিয়ে বসেছে, তখন উত্তরবঙ্গেও কড়া ঠান্ডার দাপট স্পষ্ট। গত এক মাস ধরে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৫ ডিগ্রির আশপাশে। কখনও কখনও তা বেড়ে ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছলেও শীতের প্রকোপ কমছে না। ওই সব এলাকায় কুয়াশার দাপটও বেড়েছে। অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে মাত্র ৫০ থেকে ১৯৯ মিটারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে শীত আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

বছরের শেষের দিনে তীব্র শীত, কলকাতা ও পশ্চিম জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নেমে ৮-১২ ডিগ্রি

বছরের শেষের দিনগুলোতে রাজ্যে কড়া শীতের আমেজ বিরাজ করছে। কলকাতার তাপমাত্রা লাগাতার ৪৮ ঘণ্টা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। পশ্চিম জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই পরিস্থিতি আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার প্রভাব রয়েছে। বেশিরভাগ জেলাতেই দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। বড়দিনের পর থেকেই রাজ্যে শীতের থাবা স্পষ্ট। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭-১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে, উপকূলীয় জেলাগুলিতে ১১-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।২৫ ডিসেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি। এরপর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। আজ শনিবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৯ ডিগ্রি, গতকালের দিনের সর্বোচ্চ ছিল ২১.২ ডিগ্রি। মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গজুড়ে ঘন কুয়াশার জন্য আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ ও আগামীকাল রবিবার পার্বত্য এলাকা সহ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশা থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দৃশ্যমানতা কোথাও কোথাও ২০০ মিটারের নিচে নামতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে ২০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে দৃশ্যমানতা থাকবে।কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। মালদহ ও সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৯-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

এক ধাক্কায় পারদ নামল তিন ডিগ্রি! স্থায়ীত্ব নিয়ে ফের চিন্তায় হাওয়া অফিস

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কবলে পড়ে এই বছর দফারফা হয়েছে শীতের। বৃহস্পতিবারের থেকে শুক্রবার সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি কমেছে। শুক্রবার থেকে সোম জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে বাংলায়। তেমনই বার্তা দিল আলিপুরের আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার পারদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকতে পারে বলেই আবহবিদরা জানিয়েছেন। জেলায় পারদ নামতে পারে ১০-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে, বেশ জাঁকিয়েই অনুভূত হবে শীত।ধীর গতিতে আসা শীত আপাতত বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে। কিন্তু, কতদিন তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, আরও একটি ঝঞ্ঝার কোপে ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর জ্বলীয় বাষ্প তৈরি হওয়ায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ ফেব্রুয়ারি মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। মাঘের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে অর্থাৎ সরস্বতী পুজোয় ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মাঝারি বৃষ্টিপাত শীতের শেষটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করলেও দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে রাজ্য থেকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় নেবে শীত। দাপট কমবে কনকনে উত্তুরে বাতাসের। সেই জায়গা নেবে দখিনা বাতাস। রাজ্যে আগমন হবে বসন্তের। তামিলনাড়ুর উপরেও তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে কাটছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট, ফের পারদ পতন রাত থেকে, কাঁপছে উত্তর ভারত

রাজ্যে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের একাংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা-সহ বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সঙ্গে থাকবে কুয়াশা। মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতের তাপমাত্রা ফের এক বার নামতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী তিন দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। তবে উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় আরও দিন দুয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পর থেকে সেখানে পারদ পতন শুরু হতে পারে।আলিপুরের হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করবে। কলকাতার আকাশ প্রধানত মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। সকালে থাকবে কুয়াশার দাপট।এদিকে উত্তর পশ্চিম ও মধ্য ভারত নিয়ে ফের সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দপ্তর। নয়াদিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা ক্রমশ কমবে পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রের কিছু অংশে। রাজধানী দিল্লিতে তাপমাত্রা কমলেও আপাতত এখানকার জন্য শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়নি। দিল্লির জন্য শীতল দিনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে কুয়াশায় ঢাকা দিল্লির তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। পঞ্জাবের বেশ কিছু অংশে কুয়াশা থাকলেও তাপমাত্রা নেমেছে সাত ডিগ্রিতে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

Weather: বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাও

বঙ্গে উধাও শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উপরন্তু রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। কোথাও মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথাও বা বুধবার ভোর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত এই সপ্তাহ জুড়েই এভাবে বৃষ্টিপাত চলবে। সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় তাপমাত্রাও বেড়েছে। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতাতেও সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, বুধবারেও রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওবুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে ১৭ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশ রয়েছে মেঘলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের দু-একটি জায়গায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মূলত পশ্চিমের জেলাগুলি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে, পশ্চিম মেদিনীপুরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরখড়গপুরের ২ নম্বর ব্লকের সুলতানপুরে মিনিট দুয়েকের ঝড়ে একপ্রকার লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা এলাকা। মঙ্গলবার থেকেই সেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তারপরেই একটু রাত বাড়তেই প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ে একাধিক গাছ। ক্ষতি হয়েছে জমিরও। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গোটা গ্রামে। বেশ কয়েকটি বাড়ির উপর গাছের ডালও ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, আসানসোলেও ভারী বর্ষণ শুরু হয় মঙ্গলবার থেকেই। যদিও, কিছু সময় পরে বৃষ্টি থেমে যায়।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Childs Burn: শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশু

শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পা পিছলে পড়ে গিয়ে দগ্ধ হল এক শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি বুধবার সকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার অগ্রদ্বীপের একটি ইট ভাটায়। আশঙ্কানক অবস্থায় শিশুপুত্র লিটো মাজি (৮) কে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার আকশ্মিকতায় স্তম্ভিত ইটভাটার সকল শ্রমিকরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্রদ্বীপের ইঁটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁদের বাড়ি বিহারে। ভাটার শ্রমিকদের কথায় জানা গিয়েছে, শীত নিবারণের জন্য এদিন সকালে তাঁরা কাঠ কুটো যোগড় করে তাতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। ওই সময়ে কাছে-পিঠেই ছোটাছুটি করছিলেন কয়েকটি শিশু. তাদের মধ্যে শিশুপুত্র লিটো মাজিও ছিল।। ছুটোছুটি করে খেলার সময়ে হঠাৎতই পা পিছলে লিটো সোজা আগুনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। আর তাতেই ঘটেযায় বিপত্তি। লিটোর শরীরের অনেকাংশ আগুনে দগ্ধ হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Weather: বছরের তৃতীয় দিনে শহরে জাঁকিয়ে পড়ল শীত!

আবহবিদেরা আগেই জানিয়েছিলেন, বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে পড়তে চলেছে শীত। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল। বছরের তৃতীয় দিনে বেশ কিছুটা নামল পারদ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকই রয়েছে। শেষ কিছু দিন ধরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ ডিগ্রি বেশি ছিল। সেই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখল সোমবার। একই সঙ্গে সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সারা দিন ধরেই বইতে পারে উত্তরে হাওয়া। তবে আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও সোমবার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই কলকাতায়।কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বেশ কিছুটা নেমেছে। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি। পার্বত্য তরাই-ডুয়ার্সে পারদ ১০ ডিগ্রিরও নীচে নেমেছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়েই বসবে শীত।আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন, পূর্ব ভারতে ঠান্ডার কারণ উত্তর-পশ্চিমের শৈত্যপ্রবাহ। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানায় প্রবল শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে কনকনে উত্তুরে হাওয়া পূর্ব ভারতে প্রবেশ করে। সোমবার দিন সেই শীতের দেখা মিললেও এই শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। আলিপুর হাওয়া অফিসের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি বা কোচবিহারের থেকে রবিবার পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন এবং কাঁথিতে বেশি শীত মালুম হয়েছে। এমনকী উলুবেড়িয়া বা কৃষ্ণনগরের কাছেও গোল খেয়ে গিয়েছে ডুয়ার্স। এর মূলে গাঙ্গেয় বঙ্গে কনকনে উত্তুরে হাওয়াই রয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা।হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রবিবার ছিল যথাক্রমে ১১.৯, ১১.৮ এবং ১২.৬ ডিগ্রি। সোমবারও থাকতে পারে এর কাছাকাছিই। অথচ পূর্বমেদিনীপুরের কাঁথিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি। তার পরেই রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন (১০ ডিগ্রি)। পুরুলিয়া, আসানসোলের মতো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির কাছে। ফলে দক্ষিণের কাছে গোল খাচ্ছে উত্তর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Weather: আজও ঠান্ডায় জবুথুবু বাংলা

সোমবারই ছিল মরশুমের শীতলতম দিন। মঙ্গলবারও কলকাতার তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।শীতের আমেজ নিচ্ছেন শহরবাসী। কোথাও আগুন জ্বালিয়ে তাপ পোহাচ্ছেন, কোথাও বা গরম চায়ে চুমুক! মাঙ্কি টুপিতে শীত আড়াল করার ছবিও দেখা মিলছে শীতের সকালে। শহরবাসী বলছেন, এই জমিয়ে শীতের অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। শীত জমিয়ে না পড়লে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দেয়।কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Weather: মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই, কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রিতে

মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই। কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।যত দিন যাচ্ছে, তত জাঁকিয়ে বসছে শীত! ধুন্ধুমার ব্যাটিং চলছে দেশজুড়ে। বাংলাতেই বা পিছিয়ে থাকবে কেন! গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল পারদপতন। এ সপ্তাহেও তা অব্যাহত। গত দুদিনের থেকে সোমবার তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। এর জেরে গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান পিছনে ফেলে সোমবারই হল যে মরসুমের শীতলতম দিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়াই থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে হবে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকেও ৪ ডিগ্রি কম। এ মরশুমে এই প্রথম মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রির ঘরে।কলকাতার তুলনায় জেলার বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা আরও কমেছে। কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো শহরেও কমেছে তাপমাত্রা। সব মিলিয়ে পৌষের শুরু থেকেই জমিয়ে ব্যাটিং শীতের। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Coldest Day: প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিন

নিম্নচাপের বাধা কাটিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। এ সপ্তাহের শুরুতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। শুক্রবার তা আরও একটু কমেছে। সর্বনিম্নের পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমেছে গত কয়েক দিনের তুলনায়। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নামবে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রির উপরে। শুক্রবার তা কমেছে। সর্বোচ্চের পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও পতন হয়েছে। তা নেমেছে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ মরশুমে এটাই কলকাতার এখন অবধি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ফলে বলতে হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত শুক্রবারই শীতলতম দিন।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, বাড়তে পারে ঠান্ডা

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে বাংলায় ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কলকাতায় গত তিন ধরেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে রয়েছে। সঙ্গে সকালে হালকা কুয়াশাও দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়।এ বছরে সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বঙ্গোপসাগের ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বেড়েছিল জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। যার জেরে ধাক্কা খেয়েছিল শীতের ব্যাটিং। সেই প্রভাব কমতেই বেড়েছে ঠান্ডা। আলিপুর আবহওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃহস্পতিবার আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Weather: আজ আরও জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, কমবে রাতের তাপমাত্রাও

বুধবার আরও নামল পারদ। এদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। আজ প্রধাণত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। রোদ ঝলমলে দিন থাকবে সারাদিন। রাতে আরও কমবে তাপমাত্রা। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কোটাতেই থাকে। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Foggy Weather: ফের নামতে শুরু করছে পারদ, কুয়াশার চাদরে ঢাকল ভোরের শহর

সকালের শিরশিরে আজ আবার কিছুটা হলেও অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত দুদিনে তাপমাত্রা বেড়েছিল অনেকটাই। কিন্তু মঙ্গলবার সকালের দৃশ্যটা আবার অন্য রকম।গত দুদিন ধরেই কলকাতায় সেই শিরশিরে ভাবটা উধাও ছিল। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ছিল স্বাভাবিকের থেকে বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে যে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ঢুকেছিল, তার ফলে উপকূল এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কলিংপং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া শহর কলকাতাও। সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাট-সহ একাধিক এলাকায় ঘন কুয়াশা পড়েছিল সকালে । ৫০০ মিটার পর থেকে দৃশ্যমানতা কম অর্থাৎ সবকিছুই ঝাপসা দেখা যাচ্ছিল। সকাল থেকেই রাস্তায় কোনও কোনও গাড়ি হেডলাইট আবার কোনও গাড়ি ইমার্জেন্সি লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। কুয়াশার কারণে গত দু দিনের তুলনায় আজ অনেকটাই শিরশিরে ভাব অনুভূত হচ্ছে।মঙ্গলবার হাওয়া অফিস অবশ্য বলছে, তাপমাত্রা ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে আর কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। মঙ্গলবার উচ্চচাপের ফাঁড়া কাটলে বুধবারের পর ফিরবে ঠান্ডা আমেজ। এমনও হতে পারে, আগামী সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।তবে হাওয়া অফিসের যা ইঙ্গিত, তাতে পুরোদমে দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়তে এখনও কিছুটা সময় বাকি। ১৫ ডিসেম্বরের আগে সে অর্থে কলকাতায় শীত পড়েও না। তবে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নামতে শুরু করে। কিন্তু এবার নভেম্বরেই দুবার তাপমাত্রা ১৮র কাছাকাছি নেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Winter in Bengal: বঙ্গে আরও নামল তাপমাত্রা, বইছে উত্তুরে হিমেল হাওয়া

শহরজুড়ে শীতের আমেজ। ফের নামল তাপমাত্রার পারদ। দক্ষিণবঙ্গে সকালে শীতের আমেজ আরও বাড়ছে। জেলায় জেলায় তাপমাত্রা ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে । পুরুলিয়ার পারদ ১৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকায় শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশাও পড়ছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩০ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ আদ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনভর আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর।রাতে ও সকালের দিকে রীতিমতো ঠান্ডা লাগছে। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী কয়েকদিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, নতুন করে নিম্নচাপের আশঙ্কা রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর সুমাত্রা উপকূলে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত আগামী মঙ্গল-বুধবার নাগাদ এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগবে। সরাসরি প্রভাব না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাবে পূবালি হাওয়ায় প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে।পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতন ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড় ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়া ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আসানসোল ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বারাকপুর ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমান ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বহরমপুর ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলাইকুন্ডা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দীঘা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস । ক্যানিং ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বিশ সাল বাদ মহেশ-বিক্রম-এর হাড় হিম করা 'কোল্ড'

প্রায় দু-দশক পর আবার একসঙ্গে কাজ করছেন মহেশ ভাট এবং বিক্রম ভাট। বিপাশা বাসু অভিনীত রাজ ছবিতে একসঙ্গে শেষবার কাজ করেছিলেন তাঁরা দুজনে। মূলত মহামারী পরবর্তি সময়কে নিয়েই তৈরি হতে চলেছে তাঁদের পরবর্তী ছবি কোল্ড।আলফ্রেড হিচককের আ গ্লিম্পস ইনটু দ্য ওয়ার্ল্ড প্রুভস দ্যাট হরর ইজ নাথিং আদার দ্যান রিয়ালিটি, মাস্টার অব সাসপেন্স, এই সূত্র মেনেই কোল্ড ছবির কাজ শুরু করেছেন বিক্রম ভাট এবং মহেশ ভাট। কুড়ি বছর পর দুজনে এক সঙ্গে জুটি বেধে শুরু করে ফেলেছেন এই ছবির প্রস্তুতি। বলিউড-এ ছবির প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।ছবির পরিচালক বিক্রম ভাট বলেন, গত এক বছর ধরে এক গভীর যন্ত্রণাদায়ক সময়ের সাক্ষী থেকেছি আমরা, করোনা আমাদের অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে, আবার অনেককিছু শিখিয়েও দিয়েছে। সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা ও যন্ত্রণাই প্রতিফলিত হবে কোল্ড ছবিতে। অনেক-কিছু ভাবা এবং শেখার মন্ত্র নিয়েই এতদিন আমরা পথ চলছিলাম। কিন্তু, করোনাকালীন সময়টা আমাদের শিখিয়েছে, কিছু জিনিস না ভাবা এবং না শেখাই ভালো।কোল্ড এর চিত্রনাট্য লিখেছেন মহেশ ভাট। বিক্রম ভাট এ প্রসঙ্গে বলেন, আমি যে আঙ্গিকে ছবিটি তৈরি করতে চেয়েছিলাম, তা মহেশের থেকে ভালো আর কেউ বা লিখতে পারত? কুড়ি বছর পর আবার আমার গুরু মহেশ ভাটের সঙ্গে কাজ করছি। বিক্রম ভাট প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন কোল্ড ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে ভয়ংকর ছবি হবে। বিক্রম ভাট জানান, চিরাচরিত ভয়ংকর ছবিগুলির বোকা বোকা দৃশ্য পর্দার আড়াল থেকে ভূত বেরিয়ে আসা কিংবা শূন্যে ঝুলে থাকার সূত্র এখনকার দর্শকরা বড় বোকা বোকা ভাবে। আর তাই এই ধরনের বিষয়গুলিকে বাতিলের খাতায় ফেলে একেবারে নতুন আঙ্গিকে কোল্ড ছবিটি বানাতে চলেছেন ভাটেরা।ভয়ংকর এক সময়ের সাক্ষী হতে চলেছেন এক মহিলা। নতুন শহরে ওই মহিলার পথচলার কাহিনীকে কেন্দ্র করেই মূলত তৈরি হচ্ছে কোল্ড। প্রতি মুহূর্তে প্রাণ সংশয় নিয়ে বাঁচার গল্পই বলতে চলেছেন দুই হরর জ্যঁর বিশেষজ্ঞ। ছবিটি প্রযোজনা করছেন কৃষ্ণা ভাট এবং অমর ঠক্কর। ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন পিৎজা খ্যাত অক্ষয় ওবেরয় এবং নবাগতা অনিশা পাহুজা।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

এক ধাক্কায় ২ ডিগ্রি নামল শহরের তাপামাত্রা

বুধবার এক ধাক্কায় ২ ডিগ্রি নামল শহরের তাপমাত্রা। এদিনের কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি। চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদ ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। অন্যদিকে ঝাড়খন্ড লাগোয়া জেলাগুলোতে চলতি সপ্তাহেই সম্ভাবনা রয়েছে বৃষ্টিপাতের।দিনকয়েক আগে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নামলেও গত দুদিন পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বেলা বাড়তেই গরমের অনুভূতি হচ্ছিল বঙ্গবাসীর। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল, চলতি সপ্তাহে ১৫-১৬ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে তাপমাত্রা। কিন্তু বুধবার একধাক্কায় ২ ডিগ্রি নেমেছে পারদ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এদিন ভোরের দিকে জাঁকিয়ে শীতের আমেজ অনুভূত হলেও বেলা বাড়তেই বদলাবে পরিস্থিতি। জেলাগুলোতে শীত দাপট দেখাবে আরও কয়েকদিন। কুয়াশার চাদরে মুড়বে গোটা বঙ্গ। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশার সর্তকতা জারি। কুয়াশা দাপট দেখাবে দক্ষিণবঙ্গেও। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতের যাওয়া-আসার মাঝেই শুক্রবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলাগুলোতে। নতুন করে বঙ্গে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করবে ফেব্রুয়ারিতে। তার আগে শীতের কামড় ভালোই অনুভব করবে বঙ্গবাসী।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা, শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া! তিন দিন পরেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ

২০২৭ সালের পুরুষদের এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ায় বসবে এবারের ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ। প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২ অক্টোবর এবং ফাইনাল হবে ২১ নভেম্বর। মোট ১৪টি দলকে নিয়ে হবে ৫৭টি ম্যাচ।এবারের বিশ্বকাপের শুরুটাই হবে অন্য রকম। ১৪টি দলের মধ্যে তিনটি দলকে নিয়ে প্রথমে হবে একটি বিশেষ সুপার সিরিজ। সেই পর্বের তিনটি ম্যাচ হবে ২, ৪ এবং ৬ অক্টোবর নামিবিয়ার উইন্ডহোকে। এই পর্বের শীর্ষে থাকা দল মূল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে।এর পর ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল। অন্য গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং আরও একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল।ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। ম্যাচটি হবে কেপটাউনে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের পর আবারও বড় মঞ্চে মুখোমুখি হবে দুই দল।তার পরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। অর্থাৎ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শুরু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান মহারণ।ভারতের তৃতীয় ম্যাচ ১৪ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ হবে ত্শোয়ানে। এরপর ১৭ অক্টোবর যোগ্যতা অর্জনকারী একটি দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ ২৪ অক্টোবর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটি হবে ভিক্টোরিয়া ফলসে।এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি হল নতুন ফরম্যাট। গত কয়েকটি বিশ্বকাপের মতো সরাসরি একটি দীর্ঘ গ্রুপ পর্বের পর সেমিফাইনালে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে না। প্রথমে হবে তিন দলের সুপার সিরিজ। তার পর ১২ দলের গ্রুপ পর্ব এবং শেষে সাত দলের সুপার সেভেন পর্ব।দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি করে দল সরাসরি সুপার সেভেনে যাবে। পাশাপাশি দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে যে দল তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে থাকবে, সেই দলও পরের পর্বে জায়গা পাবে। ফলে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।সুপার সেভেনে মোট সাতটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। এই পর্বে গ্রুপ পর্বের কোনও পয়েন্ট বহন করা হবে না। ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সুপার সেভেনের ম্যাচগুলি। এই পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।সেমিফাইনাল হবে ১৭ এবং ১৮ নভেম্বর। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কেপটাউনে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ত্শোয়ানে। ২১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। প্রয়োজনে ২২ নভেম্বর রাখা হয়েছে ফাইনালের সংরক্ষিত দিন।এবারের বিশ্বকাপ যৌথ ভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়া। মোট ১২টি মাঠে হবে ৫৭টি ম্যাচ। আফ্রিকার মাটিতে ২৪ বছর পর ফিরছে পুরুষদের এক দিনের বিশ্বকাপ।সব মিলিয়ে ভারতের জন্য বিশ্বকাপের শুরুতেই অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তানের মতো বড় প্রতিপক্ষ। তার পর আফগানিস্তান, একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের লড়াই। নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব থাকায় শুরু থেকেই ভারতীয় দলের সামনে বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিমানের ককপিটে কেন হামলা? স্মিত মচ্ছরকে ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে কী, মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ককপিটের ভিতরে সহ-পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। হামলার জেরে বিমানটি আচমকা উচ্চতা হারাতে শুরু করে। পরে যাত্রী ও বিমানের কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৭৪ জন যাত্রী নিরাপদে রক্ষা পান।ঘটনার পর ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে সাহসিকতার জন্য প্রশংসা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, গুরুতর আহত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও বিমানের কর্মীরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন। এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।বৃহস্পতিবার হামলার নেপথ্যের কারণ নিয়ে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত সহ-পাইলট ইসলামপন্থী ও উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। তবে তাঁকে কে বা কারা এই মতাদর্শে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই বলেও জানান নেতানিয়াহু। কোনও নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে অভিযুক্তের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও এখনও নিশ্চিত হয়নি।নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে ইজরায়েল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা হামলার আসল কারণ এবং এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা সংগঠিত যোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষও ঘটনার পরিস্থিতি, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী যোগের বিষয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে।ঘটনার সময় বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফেরানো সম্ভব হয় এবং তাবুকে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করা হয়।ঘটনার পর সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আহত স্মিত মচ্ছরকে তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং প্রাথমিক ভাবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে ৯/১১-এর মতো বিমান হামলার তুলনা করেছেন নেতানিয়াহু এবং অন্য কয়েক জন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্তের মতাদর্শগত যোগ এবং ঘটনার আগে কোনও পরিকল্পনা ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলির চূড়ান্ত উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তাই হামলাটিকে নির্দিষ্ট কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে। ঘটনাটির পর ইজরায়েলগামী বিমানের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইজরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, মাঝ আকাশে ককপিটে হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গিয়েছে। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা হলেও, হামলার আসল উদ্দেশ্য এবং এর পিছনে কারও সংগঠিত ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনও তদন্তের বিষয়। তদন্ত শেষ হলেই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি আরও স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসের টাকা কোথায় গেল? ইডির জেরায় ইন্দ্রনীল, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ পাঠানোর দাবি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর সংস্থা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেনের দাবি সামনে এনেছে ইডি। তবে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য, ওই টাকা রয়্যালটি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। ফলে লেনদেনটির প্রকৃতি নিয়ে তদন্ত চলছে।ইডির দাবি, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগের আওতায় রয়েছে ম্যাসআর্ট নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুচ্ছন্দা সেন-সহ আরও কয়েক জনের নাম জড়িয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং পাসের নামে কয়েক বছর ধরে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থের একটি অংশ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।তদন্তকারীদের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার সরকারি কাজ বা টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। এই টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্দ্রনীলের মালিকানাধীন অক্টেভ রেকর্ডস-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি জমা পড়েছিল। পরে ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা পাঠানো হয় বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন।ওই ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেন সম্পর্কে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্যও প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো টাকা রয়্যালটি বাবদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ওই অর্থের উৎস, কারণ এবং পুজোর পাসের টাকা সংক্রান্ত অভিযোগের সঙ্গে এর কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অংশ হয়ে উঠেছে।এর আগে মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁর আত্মীয় ও সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ঠিকানাতেও অভিযান হয়। সিঙ্গুরে তাঁর বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা পৌঁছেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায় ১৫টি ঠিকানায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।তল্লাশি অভিযানের পর বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন ইন্দ্রনীল সেন। সেখানে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টাকার আদানপ্রদান নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডির তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগের সত্যতা এবং ওই অর্থের পরবর্তী গতিপথ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং ইডির উত্থাপিত অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এই মামলায় আগামী দিনে আরও কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে তদন্তের গতিপ্রকৃতি থেকে ইঙ্গিত মিলছে। পুজোর পাস থেকে সংগৃহীত অর্থ কোথায় গিয়েছে, সরকারি টেন্ডারের সঙ্গে সেই অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের প্রকৃতি কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। এদিকে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো ৩০ লক্ষ টাকা ছিল রয়্যালটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই লেনদেন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘সবাইকে নিয়ে আসুন, শুধু ব্যাগেজটা বাদ’! মমতাকে অধীরের বার্তা ঘিরে নতুন চর্চা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার তাঁর বক্তব্য, মমতা তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলে তাঁকে বাংলায় নেতৃত্ব দিতে আপত্তি নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি ব্যাগেজ বাদ দিয়ে আসার কথা বলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ব্যাগেজ মন্তব্যকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।অধীরের বক্তব্যের আগে অবশ্য বাংলার রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থীকে সরিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন মমতা। পরে দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠকেও তাঁকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা যায়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে কংগ্রেস ও মমতার সম্পর্ক নিয়ে তাই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অধীর বলেন, মমতা তাঁর সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার নিচে এলে তিনি সেই নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের মতো বড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মমতা বাংলায় নেতৃত্ব দিলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে মমতার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ বাদ দেওয়ার শর্তও তিনি উল্লেখ করেন।অধীরের এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। কারণ অতীতে অভিষেক ও অধীরের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। যদিও ব্যাগেজ বলতে অধীর নির্দিষ্ট করে কারও নাম করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্যের ওই অংশকে অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মহল।মমতার সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের ইতিহাসও দীর্ঘ। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের আগে মমতা দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে পৃথক দল তৈরি করে তিনি বাংলার রাজনীতিতে নিজের রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করেন। এখন আবার কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান সামনে আসায় সেই পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করেছেন। মিলন প্রধানকে একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় এবং নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সুপ্রিম কোর্টেও ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের আবেদনের শুনানি হয়েছে।তবে অধীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক দলীয় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রস্তাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে এই প্রস্তাব গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এসেছে কি না, সেটিও আলাদা বিষয়।অধীরের বক্তব্যের পর এখন নজর থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ার দিকে। একই সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই প্রস্তাব নিয়ে কী অবস্থান নেয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে মমতা-কংগ্রেস সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘মৃত্যুকামনা করিনি’, শুভেন্দুর আক্রমণের পর সুর বদল হুমায়ুনের! রেজিনগরে তুঙ্গে তরজা

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। হুমায়ুনের কয়েক দিন আগের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বৃহস্পতিবার রেজিনগরের প্রচারসভা থেকে তাঁকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা হুমায়ুন দাবি করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করেননি এবং তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু চাননি। তাঁর দাবি, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অত্যাচারের অবসানের কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, যাঁরা একতরফাভাবে অত্যাচার ও জুলুম চালান, তাঁদের পতন ইতিহাসে বার বার দেখা গিয়েছে। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সেই কথা প্রযোজ্য বলে দাবি করেন তিনি।হুমায়ুন আরও দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অন্য ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু চাননি। বরং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।এর আগে হুমায়ুনের বক্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য প্রার্থনার কথা উঠে আসে। সেই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়েছিল।বৃহস্পতিবার রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে সেই বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে মতবিরোধ, তর্ক এবং সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মৃত্যু কামনা করার মতো ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, হুমায়ুন যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তার বিচার রেজিনগরের মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক লড়াইয়ে শেষ কথা বলবেন ভোটাররাই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।হুমায়ুন অবশ্য শুভেন্দুর আক্রমণের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়। নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি অত্যাচারীর পতনের কথা বলেছেন, কোনও ব্যক্তির মৃত্যুকামনা করেননি।রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এক দিকে শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের আগের বক্তব্যকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, অন্য দিকে হুমায়ুন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মৃত্যুকামনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক চাপানউতোর ভোটের প্রচারে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

এত বছর চলল নমাজ, এখন নিরাপত্তার প্রশ্ন কেন? বিমানবন্দর মসজিদ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের

কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে একটি মসজিদে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নমাজ পড়ার ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে সেখানে নমাজ পড়া বন্ধ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মামলাকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ধর্মাচরণের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানিতে সওয়াল-জবাব হলেও আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ।মামলাকারীর আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে জানান, বিমানবন্দর সংলগ্ন ওই মসজিদে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে নমাজ পড়া হয়ে আসছে। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ সময়ে সেখানে নমাজ পড়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা হয়নি। তাহলে এখন কেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নমাজ বন্ধ করা হল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।আইনজীবীর বক্তব্য, কলকাতা বিমানবন্দরের আট নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে ওই মসজিদে নমাজ পড়তে যেতে হত। বর্তমানে সেই প্রবেশের ব্যবস্থাই বন্ধ রয়েছে। তাঁর দাবি, ওই জমি এখনও অধিগ্রহণ করা হয়নি। তাই একেবারে নমাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।কিশোর দত্ত আদালতে আরও বলেন, ধর্মীয় প্রার্থনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ম মেনে অন্তত ওই মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই আপাতত নমাজ পড়ার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।এই মসজিদকে ঘিরে নিরাপত্তার প্রশ্ন অবশ্য নতুন নয়। বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং দ্বিতীয় রানওয়ের সঙ্গে মসজিদের অবস্থান নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রয়েছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে আপত্তির কথাও আগে প্রকাশ্যে এসেছে।এর আগে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে তাঁর বক্তব্য ছিল।এখন হাই কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে। দীর্ঘদিনের ধর্মাচরণের ব্যবস্থা ফের চালু হবে কি না, নাকি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তী আদালতীয় প্রক্রিয়াতেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণা থেকে আবাস, কৃষি থেকে শিক্ষাশ্রী! শুক্রবার থেকেই ২০ প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন

পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তিন দিনের বিশেষ সেবা সেতু অভিযান। ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরো এবং রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় এই পরিষেবা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।এই শিবিরে একাধিক সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, প্রধানমন্ত্রী কিষান ক্রেডিট কার্ড, প্রধানমন্ত্রী কিষান স্বনিধি-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য জানার পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তিরা নতুন করে আবেদনও করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চলার কথা। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা থাকবে। ফলে সরকারি প্রকল্পের আবেদন বা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।কলকাতায় প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের কাছাকাছি শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এবারের সেবা সেতু অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অনেকের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় তাঁরা অনেক সময় আবেদন করতে পারেন না। সেই সমস্যা কমাতেই একই জায়গায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে পারে বলে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করতে অনেক মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোর দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।কলকাতার প্রতিটি শিবিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিন দিনই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে যাতে ভিড়ের কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের।সাম্প্রতিক সরকারি কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সেতু অভিযান সেবা সংকল্প অভিযান-এর একটি অংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর জনকল্যাণমূলক পরিষেবা শিবির আয়োজনের কথা রয়েছে।ফলে সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে চান বা কোনও প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, এমন মানুষের জন্য ২ থেকে ৪ অক্টোবরের এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিজের এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি তথ্যসূত্র থেকে যাচাই করে নিয়ে সেখানে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
দেশ

চার অ্যাকাউন্টে ৮০৪ কোটি, চাওয়া হয়েছিল ব্যবহারের অনুমতি! সুপ্রিম কোর্টে কী হল তৃণমূলের?

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল টাকা ব্যবহার করা নিয়ে ফের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরের চারটি ফ্রিজ করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। একই সঙ্গে হাই কোর্টকে মামলাটির দ্রুত শুনানি করতে অনুরোধ করেছে শীর্ষ আদালত।চারটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির টাকা ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছিল মমতা শিবির। দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং সামনে থাকা নির্বাচনী কর্মসূচির জন্য অর্থের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন। প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলেও তৃণমূল শিবিরের তরফে জানানো হয়েছিল।মমতা শিবিরের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে দাবি করেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় দলের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কর্মীদের বেতন, দফতরের খরচ এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কাজ চালাতে অর্থ প্রয়োজন বলেও তিনি জানান। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনের সময় দলের আরও বেশি খরচ হয়।এর আগে কলকাতা হাই কোর্ট চারটি অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি চালানোর অনুমতি দেয়নি। গত অগস্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, আগের নির্দেশ অনুযায়ী বিশেষ আধিকারিকের মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে চারটি অ্যাকাউন্ট আলাদা করে চালানোর অনুমতি দিলে আগের নির্দেশই কার্যত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই ওই পর্যায়ে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়া হয়নি।বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতা শিবির। কিন্তু বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। আদালত মামলার মূল অভিযোগের সত্যতা বা অ্যাকাউন্টের টাকার চূড়ান্ত অধিকার কার, সেই প্রশ্নেরও নিষ্পত্তি করেনি। বরং কলকাতা হাই কোর্টকে দ্রুত শুনানির অনুরোধ করেছে।এই মামলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কোন পক্ষ দলটির সম্পদ ও ব্যাঙ্কের টাকার উপর অধিকার রাখবে, সেই বৃহত্তর প্রশ্নের নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও জানিয়েছে, এই বিরোধের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত টাকার অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে, মামলায় সরকারি পক্ষের তরফে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আগের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা বা স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ এখনও তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। আদালত বৃহস্পতিবার এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।এর আগে তিনটি অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কলকাতা হাই কোর্ট বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা করেছিল। সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে করা আবেদনেও সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। ফলে বর্তমানে চারটি অ্যাকাউন্টের প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা সরাসরি ব্যবহার করার অনুমতি মমতা শিবির পেল না।তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, তারা মামলার মূল মেরিটে প্রবেশ করছে না। অর্থাৎ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ বেআইনি কি না, কার অধিকার রয়েছে বা তদন্তে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটাএসব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এই শুনানিতে হয়নি। এখন কলকাতা হাই কোর্টে মূল মামলার দ্রুত শুনানির দিকেই নজর থাকবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal